কুহেলিকা

২০১৮ সাল।
দিনটা ছিলো ১লা জুলাই,আমার কলেজের প্রথম ক্লাস।। বাবা খুব  ব্যস্ত ছিলেন।। তাই আমি একাই রওনা দিয়েছিলাম।। বাসা থেকে  বের  হতে  প্রায়  ৯.৩০ বেজে গেলো।। ১০ টায় ক্লাস।। রাস্তায় অনেক ক্ষন দাঁড়িয়ে ট্যাক্সি খুজছিলাম।।
এরপর ৯.৪৫  এ উঠলাম টেক্সিতে।
ট্যাক্সিতে আমি একাই  যাত্রী ছিলাম।।
ট্যাক্সি চলছিল।
হঠাৎ দেখি কলেজের সামনের গলিটায় কালো মুখোশ পরা ৩টা ছেলে দাঁড়িয়ে ।। ওরা জোর করে টেক্সিতে উঠে পড়লো।।ওদের সবার কাছে অস্ত্র ছিল।। আমি খুব ভয় পেয়ে যাই।।একজন ড্রাইভারের মাথায় বন্দুক ধরলো আর ২জন পিছনে এসে বসলো।।আমি চিৎকার করে ওঠলাম।।আমার বা পাশের ছেলেটা আমার হাত বেধে ফেলে আর আরেক জন মুখ চেপে ধরলো।।রূমাল দিয়ে বেধে ফেলে  আমার মুখ।।আমি অসম্ভব ভয় পেয়ে যাই।।খারাপ কিছু একটা হতে চলেছিল।। আমি উন্মাদের মতো করতে লাগলাম।হাত পা ছড়াতে লাগলাম। ।ওরা খুব জঘন্য ছিল,খুব।। নরপশু একেকটা।। আমি আর পারছিলাম না,না ওদের বাধা দিতে পারছিলাম,না কাদতে।।আমার সমস্ত ইন্দ্রিয়গুলো অবশ হয়ে আসছিল।।আমি সব ধোঁয়াশা দেখছিলাম।। মূর্তির মতো  পড়ে রইলাম আমি ।।ওরা ড্রাইভারকে মারধর করে নেমে যায়।।যন্ত্রণায় কুঁকড়ানো চোখে অন্ধকার নেমে আসছিল। হঠাৎ একটা পাহাড় সমান ট্রাক আছড়ে পড়ে টেক্সির উপর।। তারপর সব অন্ধকার।।।।।।।
আমার জ্ঞান ফিরলো নার্সিং হোমে।। চোখ মেলে তাকাতেই দেখলাম দুজন তাকিয়ে আছে আমার দিকে।। বুঝতে পারলাম তারা আর কেউ না,বাবা মা।।চারদিকে তাকিয়ে বুঝলাম আমি হাসপাতালের বেডে।।বাবা মা আমার হাত ধরে কেঁদে ফেললেন।। আমি মনে করতে চেষ্টা করলাম কি হয়েছিল আমার সাথে।।।চোখ বন্ধ করে ভাবতেই আমার চোখের সামনে ভেসে উঠলো একটা বিভীষিকাময় চিত্র।। সেই পিশাচ গুলোর মুখ, ওদের নোংরা হাত এগিয়ে আসছিলো আমার দিকে।। একেবারে  বাস্তব,কোনো কল্পনা নয়,যেন ঘটনাগুলো এখন ঘটছিলো।। আতঙ্কে চোখ খুলে ফেলি আমি।। আমার মস্তিষ্কে কিছু একটা হচ্ছিল।। কিছু একটা পরিবর্তন হয়ে গেছে আমার মধ্যে।।মাথাটা পুরো ফাঁকা ফাঁকা লাগছিলো।। আর মনে হচ্ছিল চোখ বন্ধ করলেই ওরা ঝাপিয়ে পড়বে আমার উপর।। আমি অকস্মাৎ মা কে জড়িয়ে ধরি।।মা কাঁদতে থাকে।।
যাওয়ার আগে ডক্টর  এলেন আমায় দেখতে,সাথে একটা অল্পবয়সী মেয়ে, হতে পারে ওনার সহকারী ।। ডক্টরকে দেখে মনে হলো উনি খুবই অবাক হয়েছেন আমি সুস্থ হয়ে যাওয়ায়।।উনি বললেন
-বেস্ট অব লাক কুহু।।তোমার এভাবে সুস্থ হয়ে যাওয়াটা চিকিৎসা বিজ্ঞানে একটা মিরাকেল হয়ে থাকবে।।
আমি মৃদু হাসলাম।। ওনার কথার এটাই  মানে হয় যে আমার অবস্থা গুরুতর ছিল।। বেচে যাবো তা কেউ ভাবতে পারে নি।।একটা জিনিস খুব অবাক লাগে।।ডক্টরের সাথের  আপুটা আমাকে দেখে ভয় পেলেন।। উনি কিছু বলতে চাইছিল আমায় কিন্তু ওনার ভয় ওনাকে বাধা দিচ্ছিলো।। বারবার তাকাচ্ছিলো আমার দিকে।।
হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে সেই রাস্তাটা পড়ে।। আমি মায়ের হাত চেপে ধরে রাখলাম।। কিন্তু তখন আবারও কিছু একটা হচ্ছিল  আমার মাথার ভেতর।। আমি আমার সবটা দিয়ে নিজেকে সংযত করতে চাইলাম।। কিন্তু আমার নিউরনের মূল কেন্দ্র আমার মস্তিষ্ক, আমার নিয়ন্ত্রণ ছাড়িয়ে গেলো।। আমার মনের বিরুদ্ধে গিয়ে আমার চোখ দুটো ট্যাক্সির কাচের বাইরের সেই আতংকিত জায়গাটার দিকে তাকালো।।।আবার আমার সেরকম অনুভুতি হলো।।আমি জানতাম আমি সেই অতীতটাকে বাস্তবের ন্যায় দেখতে পাবো।
আমি চোখ বন্ধ করে ফেললাম।। আবার সেই ঘটনা, সেই আতঙ্ক।। তাও আমি চোখ খুললাম না।।আমার মন বলছিলো আমাকে জানতেই হবে এটা কল্পনা না অন্য কিছু।। আবার দেখলাম ওদের চলে যাওয়া, ট্রাক টার আছড়ে পড়া।।তবে এবারে ধোঁয়াটে নয়,স্পষ্ট।। এরপর যা দেখলাম তাতে আমার সবটা গুলিয়ে যায়,,আমি চোখ বন্ধ অবস্থায় স্পষ্ট দেখতে পেলাম , ট্যাক্সিটা দুমড়ে মুচড়ে গেল,, আমার মাথা ফেটে রক্ত পড়ছিল।।কয়েক জন এসে আমায় ধরাধরি করে নিয়ে গেল নার্সিং হোমে।। আর ড্রাইভারের নিথর দেহটা নিয়ে  গেল মর্গে ।।তার মানে উনি ওখানেই মারা যায়।। আমি আর পারছিলাম না,, চোখ খুলে ফেলি আমি।।
এসব কি দেখলাম আমি।।এটা তো কল্পনা হতে পারেনা।।
তাহলে কি হচ্ছে এসব আমার সাথে।। আমি খুব ঘামছিলাম।।মা বলল-কি হয়েছে?আমি বাবা-মা কে কিচ্ছু বললাম না।।চুপচাপ রুমে এসে শুয়ে রইলাম।।
এরপর আমি ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি করলাম।।নিজের মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়া কি আদৌ সম্ভব।।  যা দেখলাম তাতে বুঝলাম এটা তখনই সম্ভব যখন হঠাৎ করে মস্তিষ্কে কোনো পরিবর্তন হয়ে যায়।।তার মানে আমার মস্তিষ্কে কোনো পরিবর্তন হয়েছে নিশ্চয়ই।। কিন্তু কি পরিবর্তন।। আমার নিজের ভিতর কেমন একটা শক্তির অনুভব হচ্ছিল।।সারারাত আমি চেষ্টা করলাম, নানাভাবে, কখনো নিজের হাত আগুনের উপর রাখলাম, তো কখনো আঙুলে সুই ঢুকিয়ে দেখলাম।।হ্যা এতটুকু ঠিকই ছিল।। কিন্তু তখন কি যেনো একটা মনে হলো, আমি দৌড়ে ছাদে উঠে ঝাপিয়ে পড়লাম সেখান থেকে।। না এবার আমার ভিতরের অজানা শক্তিটা বাইরে বেরিয়ে এলো।।  আমার পাদুটো ছাদের বাউন্ডারিতে আটকে যায়।। মনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় সমস্ত শরীর, যেনো আমারই ভেতর রাজত্ব করছিল অন্য এক আমি।।।
পরদিন খুঁজে বের করি সেই সহকারী নার্সকে।।উনি আমার দিকে তাকাচ্ছিল না,খুব ভয় পেয়ে যায় উনি।আমি ওনাকে বলি
-“আমি জানি আমার সাথে কিছু একটা হয়েছে।। হাসপাতাল থেকে যাওয়ার পর আমি অদ্ভুত কিছু ফেইস করছি।।আর আমার সাথে  কি হয়েছে তা নিশ্চয়ই আপনি জানেন”
উনি অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে বলা শুরু করলেন
-“আপনি গত ২ বছর ধরে কোমায় ছিলেন।।অবস্থার কোনো পরিবর্তন হচ্ছিল না।।আপনার মাথায় গুরুতর আঘাত ছিল।। আর আপনার সব এক্স রে করার দায়িত্ব ছিল আমার।।সেদিন এক্স রে করার সময় ছোট একটা অঘটন ঘটলো।। প্যানেলে একটা লাল বাতি জ্বলে উঠে।। আমি ভেবেছিলাম কোথাও ম্যালফাংশন হয়েছে।। আমি আপনাকে আরেকটা প্লেট দিতে গেলাম। কিন্তু আমি আঁতকে উঠি,দেখি রেডিয়েশন তখনও যাচ্ছে। আমি বুঝতে পারলাম না কি করবো,অলরেডি ৫০০রেম চলে গেছিল,,ডিজিটাল মিটারে সংখ্যা বাড়তেই থাকে।। আমি মেশিনটাও বন্ধ করতে পারছিলাম না।। আমি ডক্টরকে ডেকে আনি।।মেশিনটা আপনা আপনি  বন্ধ হয়ে যায়।। রেডিয়েশনের পরিমাণ দেখে ডক্টর ও ভয় পেয়ে যায়।। আমরা ভেবেছিলাম আপনি সেখানেই মারা গেছেন । কিন্তু না,আপনি হঠাৎ করে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলেন।।এটাকে বিজ্ঞান দিয়েও এনালাইসিস করতে পারিনি আমরা।। মিরাকেল ছিল এটা একটা “
-এতে আমার মধ্যে কি কি পরিবর্তন হতে পারে?
-তা আমি জানি না,আর আমি জানতেও পারবোনা।।  তা আপনাকেই খুজে বের করতে হবে।।
আমি ওনার কাছ থেকে ফিরে নিজের উপর গবেষণা
শুরু করি।।নিজেকে নিজে ৭দিন অবজারভেশনে রেখে  বুঝতে পারলাম আমি কয়েক টা কাজ করতে পারি যা এনালাইসিস এর বাইরে ।।যেমন
১.সামনে থাকা যে কারোর মাথায় ঢুকে যেতে পারি।
২.তার মাথার সেলগুলো কিছুক্ষণের জন্য জ্যাম করে দিতে পারি।
৩.তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
৪.তার মাথার নিউরন সেল পাল্টে দিতে পারি।
৫.তার যেকোনো স্মৃতি মুছে দিতে পারি।।
তবে এর মধ্যে আমার শরীরে কিছু পরিবর্তন দেখা দেয়।  আমার চুলগুলো পড়ে যাচ্ছিলো আমার নখ গুলো উঠে যাচ্ছিলো।। হয়তো আমার মৃত্যুর দিকেই এগোচ্ছিলাম আমি।।
পরদিন সকালেই দেখা করলাম দিয়ানের সাথে। দিয়ান আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু।। ওর কাছে সবটা খুলে বললাম,, ও বিশ্বাস করতে চায়নি।।ওর সামনে আমি প্রমাণ করে দিলাম সত্যিটা।।
সেদিন ওর সামনে আমি প্রতিজ্ঞা করলাম যে আমি ঐ নরপিশাচ গুলোর শাস্তি নিজে হাতে দিবো।যাদের জন্য আজ আমার বাবা-মা শাস্তি পাচ্ছে, যাদের জন্য ঐ নিরপরাধ ড্রাইভার এভাবে মারা গেলেন আর যাদের জন্য আমি বেঁচে থেকেও মৃত্যুযন্ত্রনা ভোগ করেছি।।
সেদিন রাত থেকে আমি আমার মিশন শুরু করি,, প্রথমে আমার রেডিয়েশনের মাধ্যমে তার লোকেশন  ট্র্যাক করি যে ড্রাইভারের মাথায় বন্দুক ধরেছিল।। রাতেই আমি বেরিয়ে যাই,ওটাকে খুজে পাই ওর বাড়িতে।। ভেবেই রেখেছিলাম ওর সাথে খারাপ কিছু করবো না,কেবল ওর মুখ দিয়ে সত্যিটা স্বীকার করাবো।।আমি ওর মাথা জ্যাম করে দিই,ওকে নিয়ন্ত্রণ করি আমি।।  আমার নির্দেশ মতো ও পুলিশের কাছে অস্ত্র সমেত ধরা দেয়।।
এরপরে আমি ট্র্যাক করি তার  লোকেশন যে আমার হাত বেধেছিল।।ও একটা প্রফেশনাল রেপার।। বড়লোকের ছেলে। তাই বহু মেয়েকে শেষ করে দিয়েও ও শাস্তি পায়নি।।  তাই ওর ব্যবস্থা আমি নিজের হাতে করলাম।।ওর নিউরনে ঢুকে আমি ওকে নিয়ে আসি সেই জায়গায় যেখানে ওরা আমায় রেপ করেছিল।। ওর নিজেরই ছুরি দিয়ে ওর হাতেই ওর পাগুলো ঝাঝড়া করে দিই যে পা দিয়ে ও আমাকে পিষে ধরেছিল ।।ওর চোখ দুটো উপড়ে ফেলি ওরই হাত দিয়ে যে চোখে নোংরা দৃষ্টি অসহায় করে দিয়েছিল আমাকে।।
এরপর আমি নিজের হাতে ওর হাতদুটো কেটে ফেলি।।যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠে ও।।মৃত্যু ভিক্ষা চায় আমার কাছে।কিন্তু না আমি ওকে তক্ষুনি  মেরে ফেলিনি।।ও যতক্ষণ পর্যন্ত বাঁচবে ততক্ষণ মনে পড়বে কত মেয়ে এভাবে যন্ত্রণায় ছটফট করে মরেছে কেবল ওর জন্য ।।।
আমার শরীরের অবস্থা খারাপ থেকে খারাপতর হচ্ছিলো।।তবে আমার কাজ তখনও শেষ হয়নি।।আমার শেষ এবং প্রধান টার্গেট ছিল ঐ ছেলেটা যে আমার সাথে  সবচেয়ে বেশি নোংরামি করেছে।।ওকে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে কষ্টকর মৃত্যু উপহার দিবো আর ওর মৃত্যুর পরে যদি আমিও শেষ  হয়ে যাই,তবে আমার কোনো আক্ষেপ থাকবে না।। ,অনেক অপমান সহ্য করতে হয় বাবা-মাকে কেবল আমার জন্য,আমার মৃত্যুতেই সেসবের অবসান ঘটবে ।।।।
পরদিন লাস্ট লোকেশন ট্র্যাকিং করতে যাবো এমন সময় দিয়ান এলো,কি একটা ব্যাপার নিয়ে কথা ছিল নাকি।।।মাকে বলে ওর সাথে চলে যাই।।দিয়ান কিছু বলছিলো,,আমি সেদিকে খেয়াল না করে ট্র্যাক করলাম ঐ ছেলেটাকে।।অদ্ভুত কিছু হচ্ছিলো, লোকেশন আমার দিকেই দেখাচ্ছিল।। আমি আমার সবটা দিয়ে চেষ্টা করি,,এরপর আমি যা দেখলাম তার জন্য আমি সত্যি সত্যিই প্রস্তুত ছিলাম না।।ওই ছেলেটা  আর কেউ না,,দিয়ান।।যাকে আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতাম,যাকে মন থেকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলাম সে।।আমি অস্ফুটস্বরে বলে ফেলি”না….”
ঝাঁকুনিতে চোখ খুলে ফেলি আমি।। দিয়ান গাড়ি থামিয়েছে।।আমার পাশে বসে থাকা দিয়ানের দিকে তাকাই আমি।।আমার গাল বেয়ে  দু ফোটা অশ্রু ঝরে পড়ে।।
ও উপহাস করে হাসতে থাকে।।ও বললো
-আমি জানি কুহু তুমি এতক্ষণে নিশ্চয়ই জেনে গেছো সেদিন আমিই ছিলাম মাস্টার মাইন্ড।।
-কেনো করেছিলে তুমি আমার সাথে এমনটা।। আমার উপর তোমার এত ঘৃনা ছিল। কি ক্ষতি করেছি তোমার? দিয়ান,ভালোবাসি আমি তোমায়।।
ও আমার কোনো কথার উত্তর না দিয়ে আমাকে টেনে গাড়ি থেকে বের  করে আনে,,,সেই রাস্তায়, সেই নরকে নামিয়ে আনে ও আমায়।।আমি আবার সবকিছু আবছা দেখছিলাম,, কি করবো আমি,যাকে ভালোবাসি তাকেই নিজের হাতে মারবো নাকি ক্ষমা করে দিবো।।একটা শব্দ হলো,,একটা ছোট্ট সিসার টুকরা তীব্র গতিতে ছুটে আসছিলো আমার দিকে।। আমি চাইলেই পারতাম নিজেকে বাঁচাতে কিন্তু ততক্ষণে আমি ওর নিউরনে ঢুকে পড়েছি।।ওর জীবনের প্রতিটা জঘন্য স্মৃতি মুছে দিলাম আমি,,নিজের মতো করে সাজালাম ওর নিউরনগুলোকে,একজন আদর্শ মানুষের মতো করে,,আমার হাতে সময় খুব কম ছিল।।গুলিটা আমার কপাল ভেদ করে চলে গেছিলো।। শেষ নিশ্বাস ফেলার আগে আমি ওর ভিতরের পশুপ্রবৃত্তি টাকে খুন করে ফেলি।।ওকে এক শুদ্ধ দিয়ান করে দিয়ে যাই,যার মধ্যে  কোনো নারকীয় ঘটনার কিচ্ছু স্মৃতি অবশিষ্ট নেই।।
পুনশ্চঃআমি কুহু, আজও বেঁচে  আছি কুহেলিকার মাঝে,, আমার দেহ শেষ  হলেও আমার শক্তি মিশে আছে ছায়ালোকে,,মিশে আছে প্রতিটা মেয়ের ছায়ায়,যারা চাইলেই সব পারে।।।।
By প্রিয়া রানী ভক্ত 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *